এড়িয়ে লেখায় যান

সঙ্গে রাখুন জোকস

ডিসেম্বর 15, 2009

** শুনেছিস, সেই
লেখক ভদ্রলোক গাড়িচাপা পড়ে মারা গেছেন।
: কোন লেখক?
: ওই যে, যিনি ‘পায়ে হেঁটে নিরাপদে রাস্তায় চলার নিয়মাবলি’ বইটা লিখেছিলেন।

**একটা লোককে কয়েকজন ধরে আচ্ছামতো মারছে। কিন্তু এত মার খেয়েও লোকটা হি হি করে হাসছে। মার শেষে লোকগুলো চলে গেলে এক পথচারী লোকটার হাসির কারণ জানতে এগিয়ে গেল, ‘এত মার খেয়ে আপনি হাসছেন কেন?’
লোকটা হাসতে হাসতে বলল, ‘হাসব না, লোকগুলো তো সব গাধা। ওরা ফজলু শেখ ভেবে আমাকে মারল। ফজলু শেখ তো আমার শত্রু, আমার নাম তো বজলু শেখ!’

**ফাঁসির আসামিকে আগের দিন জেলখানার একজন কর্মচারী কথায় কথায় বললেন, ‘কাল তোমাকে ফাঁসি দিতে সরকারের ৫০০ টাকা খরচ হবে।’
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী আসামি অবাক হয়ে বললেন, ‘এত টাকা কেন?’ কারা-কর্মচারী হিসাব দিলেন, জল্লাদ আর তার সহকারীরা পাবে ৩০০ টাকা, ফাঁসির পোশাক বাবদ ১০০ টাকা, দড়ি-ফাঁসির অন্যান্য সরঞ্জামের জন্য আরও ১০০ টাকা।
খরচের বর্ণনা শুনে আসামি ব্যবসায়ীটি খানিকক্ষণ কী যেন ভাবলেন। তারপর বললেন, ‘এত খরচের দরকার কী? কারা কর্তৃপক্ষ আমাকে ১০০ টাকা দিক, আর দুই টাকা দিয়ে একটা দড়ি কিনে দিক। আমি নিজেই গলায় দড়ি দিয়ে মরি। আমারও কিছু লাভ হবে, সরকারেরও সাশ্রয় হবে।’

**একদা সচ্ছল, এখন সর্বস্বান্ত এক মহাজনকে সন্ধ্যার অন্ধকারে দুজন ছিনতাইকারী পাকড়াও করল। মিনিট পনেরোর মতো মহাজন প্রাণপণে লড়ে গেলেন ছিনতাইকারী দুজনের সঙ্গে। অবশেষে কাবু হলেন। অনেক খুঁজে ছিনতাইকারী তাঁর শার্টের পকেট থেকে একটা আধুলি পেল মাত্র।
এক ছিনতাইকারী তখন অন্য ছিনতাইকারীকে বলল, ‘সর্বনাশ! এর কাছে যদি পুরো একটা টাকাও থাকত, তাহলে আমাদের আর প্রাণে বাঁচতে হতো না!’

**প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য দুই সৈনিক দুটি বোমা নিয়ে গাড়িতে করে যাচ্ছিল। একটি বোমা ছিল একজনের কোলে। সে চালক সৈনিককে বলল, ‘আস্তে চালাও, যেকোনো মুহূর্তে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।’
চালক সৈনিক আশ্বস্ত করল, ‘চিন্তা কোরো না, গাড়ির পেছনে আরেকটা বোমা তো আছেই।’

সংগ্রহেঃ সাকিব আল মাহমুদ